সংশ্লিষ্টদের দাবি, ১৯৮৩ সালের পর ‘ডিপ ফ্রিজে’ থাকা এই ফাইলটি ‘নয়-ছয়’ করে নিজেদের করে নিতে কখনো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), কখনো পুলিশের ইউনিট, আবার কখনো আদালতকে ব্যবহার করেছে একাধিক চক্র।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) যেকোনো কর্মকর্তার দপ্তরে গেলেই চোখে পড়ে টেবিলে কাচের নিচে রাখা একটি তালিকা। প্রায় দুই যুগ আগে হওয়া সেই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে গুলশান, বনানী, মহাখালী ও মতিঝিলের ৩৯টি ‘বিতর্কিত’ প্লটের নাম।